আন্তর্জাতিক

হুথি হামলার জেরে সৌদি আরবে তুরস্ক-পাকিস্তানের সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত

detaillogo
ডেস্ক নিউজ
০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩১
PostImage

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের হামলা বাড়তে থাকায় সৌদি আরবের নিরাপত্তায় তুরস্ক ও পাকিস্তান দ্রুত সেনা মোতায়েন করবে।


ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের হামলা বাড়তে থাকায় সৌদি আরবের নিরাপত্তায় তুরস্ক ও পাকিস্তান দ্রুত সেনা মোতায়েন করবে। নতুন পারস্পরিক প্রতিরক্ষা জোটের অংশ হিসেবে তিন দেশ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) এক যৌথ বিবৃতিতে তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরব জানায়, গত আগস্টে তারা ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ সই করেছে। ওই চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটি আক্রান্ত হলে অন্য দুই দেশ তাকে সহায়তা করবে।


এই জোটে রয়েছে ন্যাটোর দ্বিতীয় বৃহত্তম সামরিক শক্তি তুরস্ক, মুসলিম বিশ্বের একমাত্র পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ পাকিস্তান এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্যতম প্রধান শক্তি সৌদি আরব।


সোমবার রিয়াদে তিন দেশের প্রতিনিধিরা জরুরি বৈঠকে বসেন। বৈঠকে সৌদি আরবে সাম্প্রতিক হামলাগুলো নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে পবিত্র নগরী মক্কা ও মদিনাকে লক্ষ্য করে হামলার বিষয়টি গুরুত্ব পায়। তবে যৌথ বিবৃতিতে ইরান-সমর্থিত হুথিদের নাম সরাসরি উল্লেখ করা হয়নি।


বিবৃতিতে তিন দেশ সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার বিরুদ্ধে যেকোনো হামলা বা হুমকির ‘দ্ব্যর্থহীনভাবে’ নিন্দা জানায়।

তারা আরও জানায়, যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। চুক্তি অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় সামরিক বাহিনী ও সক্ষমতা সৌদি আরবে পাঠানো এবং দ্রুত মোতায়েন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


তবে সৌদি আরবে পৌঁছানোর পর তুরস্ক ও পাকিস্তানের সেনারা ঠিক কী ধরনের দায়িত্ব পালন করবে, সে বিষয়ে যৌথ বিবৃতিতে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ নতুন করে তীব্র হওয়ার পর থেকেই সৌদি আরব হুথিদের ধারাবাহিক হামলার মুখে রয়েছে। দেশটির বিভিন্ন শহর, তেল অবকাঠামো ও জাহাজ এসব হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।


গত সেপ্টেম্বরে হুথিরা নতুন করে অভিযান শুরু করে ইয়েমেনের সৌদি-সমর্থিত সরকারের কাছ থেকে বিস্তীর্ণ এলাকা দখল করে নেয়। এর জবাবে সোমবার সৌদি আরবের সমর্থনে পাল্টা অভিযান শুরু করেছে ইয়েমেন সরকার। দীর্ঘদিন ধরে হুথিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা এলাকাগুলো পুনর্দখলের লক্ষ্যেই এ অভিযান চালানো হচ্ছে।