আন্তর্জাতিক

গাজায় জানাযারত অবস্থায় ইজরায়েলের হামলায় ১৪ ফিলিস্তিনি নিহত

detaillogo
ডেস্ক নিউজ
১৮ জুলাই ২০২৬, ১৫:৩৫
PostImage

জানাজায় ড্রোন হামলাসহ গাজাজুড়ে ইসরাইলি হামলায় নিহত ১৪


গাজা উপত্যকাজুড়ে ইসরাইলি বাহিনীর একাধিক বিমান ও ড্রোন হামলায় অন্তত ১৪ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে আটজন নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে একটি জানাজায় অংশ নেওয়ার সময় ড্রোন হামলার শিকার হন।

গাজার সিভিল ডিফেন্স ও আল-আওদা হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, নুসেইরাতের আল-বালাতা বাজার এলাকায় আহমেদ ইয়াসিন মসজিদের বাইরে জানাজার নামাজ শেষে মরদেহ বহনের সময় শোকাহত মানুষের ওপর ড্রোন থেকে হামলা চালানো হয়। এতে অন্তত আটজন নিহত এবং ২০ জন আহত হন।

ইসরাইলি সেনাবাহিনী হামলার কথা স্বীকার করে জানিয়েছে, তারা মধ্য গাজায় একটি ‘সন্ত্রাসী সেল’ লক্ষ্য করে অভিযান চালিয়েছে। তবে বেসামরিক হতাহতের খবরও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে দাবি করেছে তারা। হামাস এ হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অভিযোগ করেছে, যুদ্ধবিরতির ঘোষণা থাকা সত্ত্বেও ইসরাইল পরিকল্পিতভাবে বেসামরিক মানুষকে লক্ষ্যবস্তু করছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনেই চুক্তি লঙ্ঘন করছে।

এদিকে একই দিনে গাজার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক হামলায় আরও ছয়জন নিহত হন। উত্তর গাজার বেইত লাহিয়ায় ড্রোন হামলায় এক নারী, আজ-জাওয়ায়দায় এক ব্যক্তি, আল-সাওয়ারহায় বাস্তুচ্যুতদের আশ্রয়শিবিরে হামলায় একজন এবং গাজা সিটির একটি আবাসিক ভবনে ড্রোন হামলায় একজন নিহত হন। এছাড়া খান ইউনিসে ইসরাইলি গুলিতে আহত এক নারী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা এসিএলইডি জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকার পরও মে মাস থেকে গাজায় ইসরাইলি হামলার তীব্রতা বেড়েছে। গত মাসে ৪০টির বেশি বিমান হামলা চালানো হয়েছে, যা যুদ্ধবিরতি শুরুর পর এক মাসে সর্বোচ্চ।ইসরাইলি দৈনিক হারেৎজ-এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত নয় মাসে গাজায় অন্তত ২৭৪ জন ফিলিস্তিনি শিশু নিহত হয়েছে। ফলে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও গাজায় সহিংসতা ও প্রাণহানি অব্যাহত রয়েছে।