রাজধানীর মিরপুরে টিসিবির পণ্য নিতে এসে কলেজের সীমানাপ্রাচীর ধসের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দুইজনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় আরও আটজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে পাঁচ বছর বয়সী একটি শিশুও রয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে মিরপুর কলেজের পেছনের সীমানাপ্রাচীর (লাভ রোড–মন্দির রোড এলাকা) ধসে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান জানান, নিহতদের মধ্যে নাছিমা বেগম পঙ্গু হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান। অপর একজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহত ওই ব্যক্তির পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, টিসিবির পণ্য কিনতে নারী-পুরুষসহ অনেক মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে ছিল। এ সময় হঠাৎ কলেজের পেছনের সীমানাপ্রাচীরটি ধসে তাদের ওপর পড়ে কয়েকজন আহত হয়। আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে পঙ্গু হাসপাতাল, ঢামেক হাসপাতালসহ রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ওসি হাফিজুর রহমান জানান, এ ঘটনায় আটজন আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে পাঁচ বছর বয়সী এক শিশু রয়েছে। শিশুটি আশঙ্কামুক্ত থাকলেও আহত ব্যক্তিদের মধ্যে এখনো এক-দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে তিনি জানান।
রাজধানীতে দেয়াল ধসে টিসিবির লাইনে থাকা নারীর মৃত্যু, আহত অন্তত ৭রাজধানীতে দেয়াল ধসে টিসিবির লাইনে থাকা নারীর মৃত্যু, আহত অন্তত ৭
ঘটনার পর কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছে পুলিশ। ওসি হাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমরা যেটা জানতে পেরেছি, এই ওয়ালটি দীর্ঘদিনের পুরোনো এবং এটি তেমন মজবুত ছিল না। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আপাতত আমরা এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করছি, যাতে বাকি অংশের দেয়াল ধসে আর কোনো হতাহতের ঘটনা না ঘটে। আমাদের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে রয়েছেন।’
এর আগে বিকেলে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মোস্তাক সরকার জানান, টিসিবির পণ্য বিতরণের সময় কলেজের পেছনের সীমানাপ্রাচীর ধসে সাত থেকে আটজন আহত হন। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।