আন্তর্জাতিক

ধেয়ে আসছে টাইফুন ‘ডলফিন’, সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে আড়াই লাখের বেশি মানুষ

detaillogo
ডেস্ক নিউজ
০৭ আগস্ট ২০২৬, ০৫:১৭
PostImage

ধীরগতির এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে প্রবল বাতাস, ভারী বৃষ্টিপাত ও উত্তাল সাগরের আশঙ্কায়


জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের দিকে ধেয়ে আসছে ক্যাটাগরি-১ শক্তির টাইফুন ‘ডলফিন’। ধীরগতির এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে প্রবল বাতাস, ভারী বৃষ্টিপাত ও উত্তাল সাগরের আশঙ্কায় ব্যাপক সতর্কতা জারি করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইতোমধ্যে আড়াই লাখেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে অন্তত ৫০০টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া জাপানের অটোমোবাইল নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টয়োটা তাদের ৯টি কারখানার উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে।


জাপান আবহাওয়া সংস্থার তথ্যমতে, টাইফুনটির কেন্দ্রের কাছে বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৪৪ কিলোমিটার, যা দমকা হাওয়ার আকারে ১৯৮ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। প্রবালসমৃদ্ধ ওকিনাওয়া ও কাগোশিমা অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হওয়া টাইফুনটির কারণে ভয়াবহ বন্যা, ভূমিধস এবং অতিভারি বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঝড়ো হাওয়ার তীব্রতায় জেনারেটর, কাঁচা ও আধাপাকা ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতির ঝুঁকি রয়েছে।


এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে দেশটির সর্বদক্ষিণের মূল দ্বীপ কিউশুতেও। বিশেষ করে কুমামোতো প্রশাসনিক অঞ্চলে গত সপ্তাহে ৭ দশমিক ১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল। ইতোমধ্যেই ভূমিকম্পে ঘরবাড়ি হারানো প্রায় সাত হাজার মানুষ বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন। তার ওপর ঝড়ের পাশাপাশি অঞ্চলটিতে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা বৃদ্ধির পূর্বাভাস থাকায় চরম হিটস্ট্রোকের ঝুঁকিতে পড়েছেন দুর্গত মানুষজন। ক্ষতি এড়াতে পুরো দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে জরুরি সেবা সংস্থাসমূহকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।