সারাদেশ

রূপগঞ্জে ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুৎ সংযোগ অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

detaillogo
নিজস্ব প্রতিবেদক
১২ জুন ২০২৬, ১৩:২৮
PostImage

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র কাঞ্চন পূর্বাচল পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেডের ঝুঁকিপূর্ণ ও অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন


নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র কাঞ্চন পূর্বাচল পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেডের ঝুঁকিপূর্ণ ও অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শুক্রবার (১২ জুন) দুপুরে উপজেলার গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের আধুরিয়া এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় স্থানীয়রা কিছু সময়ের জন্য সড়ক অবরোধ করে তাদের দাবি তুলে ধরেন।


মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, রূপগঞ্জ উপজেলার গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের কেশরাব গ্রামের ওপর দিয়ে বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রটির ৩৩ কেভি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ লাইন নির্মাণ করা হয়েছে। নির্ধারিত নিরাপত্তা মান না মেনে স্বল্প উচ্চতায় স্থাপিত এই লাইনের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। তাদের দাবি, গত ২৭ মে ঈদুল আজহার আগের দিন বিদ্যুতের ফ্ল্যাশিংয়ে দগ্ধ হন স্থানীয় দোকানদার আরিফ। বর্তমানে তিনি আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এলাকাবাসী জানান, পূর্বাচলে স্থাপিত ৫৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কাঞ্চন পূর্বাচল পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেডের প্রকল্প থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য নির্মিত লাইনটি নির্ধারিত রুট ব্যবহার না করে কেশরাব গ্রামের ওপর দিয়ে নেওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের তীব্র আপত্তি উপেক্ষা করে তৎকালীন প্রভাবশালী মহলের সহায়তায় ভয়ভীতি দেখিয়ে লাইনটি নির্মাণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।


বক্তারা আরও বলেন, বিদ্যুৎ লাইনটি চালুর পর থেকে এলাকায় প্রায় শতাধিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় বসতবাড়িতে আগুন লাগা, বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি পুড়ে যাওয়া, খামারের গবাদিপশু মারা যাওয়া এবং পুকুরের মাছ নিধনের মতো ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। তারা দ্রুত ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুৎ লাইন অপসারণ করে নিরাপদ বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।

মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচিতে আমিনুল ইসলাম নয়ন, আল আমিন, মাওলানা আব্দুর রশিদ, রিপন মিয়া, ইবরাহিম মিয়া, সুমন, সঞ্জয় দাস, আলমগীর হোসেন, বাদল মিয়া, নুর আলমসহ এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।