জাতীয়

পাঁচ ডিজিটাল ব্যাংককে প্রাথমিক অনুমোদন দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক

detaillogo
নিজস্ব প্রতিবেদক
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪:৫৭
PostImage

প্রাথমিক অনুমোদন পাওয়া পাঁচ ডিজিটাল ব্যাংক হলো—ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান, বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক, নোভা ডিজিটাল ব্যাংক, বুস্ট ডিজিটাল ব্যাংক ও কড়ি ডিজিটাল ব্যাংক।


দেশে পাঁচটি ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনের প্রাথমিক অনুমতি দিতে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ। এখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে এসব ব্যাংককে লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) দেওয়া হবে। পরবর্তী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ব্যাংকগুলো কার্যক্রম শুরু করতে পারবে।


বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। প্রাথমিক অনুমোদন পাওয়া পাঁচ ডিজিটাল ব্যাংক হলো—ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান, বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক, নোভা ডিজিটাল ব্যাংক, বুস্ট ডিজিটাল ব্যাংক ও কড়ি ডিজিটাল ব্যাংক।


এর মধ্যে ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটানের উদ্যোক্তা ভুটানের ডিকে ব্যাংক। বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংকের উদ্যোক্তা বিকাশের শেয়ারধারীরা। নোভা ডিজিটাল ব্যাংকের উদ্যোক্তা বাংলালিংকের মূল প্রতিষ্ঠান ভিওন ও স্কয়ার গ্রুপ। বুস্ট ডিজিটাল ব্যাংকের উদ্যোক্তা রবির মূল প্রতিষ্ঠান আজিয়াটা লিমিটেড। কড়ি ডিজিটাল ব্যাংককেও এলওআই দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।


দেশের ব্যাংকিং খাতে আস্থা ও সুশাসন নিয়ে নানা প্রশ্নের মধ্যে আর্থিক ব্যবস্থায় নতুন অধ্যায় হিসেবে যুক্ত হতে যাচ্ছে ডিজিটাল ব্যাংক। তিন বছরের বেশি সময় ধরে আলোচনা, নীতিমালা পরিবর্তন, আবেদন গ্রহণ, যাচাই-বাছাই ও লাইসেন্স নিয়ে নানা জটিলতার পর পাঁচটি ব্যাংককে প্রাথমিক অনুমোদন দেওয়ার সিদ্ধান্ত হলো।


এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক আবেদন গ্রহণ করে। তখন ১৩টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছিল। এসব প্রতিষ্ঠানের মালিকানার সঙ্গে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী, ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনাকারী সংস্থা, মোবাইল অপারেটর ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টতা ছিল।


আবেদনকারীদের মূল্যায়নের সময় ব্যাংকিং সক্ষমতা, উদ্যোক্তাদের অভিজ্ঞতা, মূলধন, প্রযুক্তিগত অবকাঠামো, সাইবার নিরাপত্তা এবং নিয়ন্ত্রক শর্ত পূরণের বিষয়গুলো বিবেচনা করে বাংলাদেশ ব্যাংক। মূল্যায়ন শেষে প্রাথমিকভাবে আটটি প্রতিষ্ঠানকে যোগ্য বিবেচনা করে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হলেও শেষ পর্যন্ত পরিচালনা পর্ষদ পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে প্রাথমিক অনুমোদন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।