শিক্ষা

২০২৭ সালে শিক্ষা সংস্কার, ২০২৮ সালে নতুন সিলেবাস: শিক্ষামন্ত্রী

detaillogo
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৭ জুন ২০২৬, ১১:৩২
PostImage

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ২০২৭ সালে দেশের শিক্ষাব্যবস্থায়


শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ২০২৭ সালে দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম শুরু করা হবে এবং ২০২৮ সালে একাডেমিক সিলেবাস হালনাগাদ করা হবে। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশের জন্য শুধু পাঠ্যক্রম নয়, বিতর্ক, খেলাধুলা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। বুধবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ডিনস অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।


শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে একাডেমিক কাঠামোতেও পরিবর্তন আনার প্রয়োজন রয়েছে। শিক্ষার্থীদের দক্ষ, সৃজনশীল ও যুগোপযোগী করে গড়ে তুলতে পাঠ্যক্রমের পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমকে আরও গুরুত্ব দেওয়া হবে। তিনি জানান, ইউনেসকোসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে শিক্ষা খাতে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) অন্তত ৬ শতাংশ ব্যয়ের পরামর্শ দিয়ে আসছে। অতীতে বাংলাদেশে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ ছিল মাত্র ১ দশমিক ৬৯ শতাংশ। তবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী সরকার ধাপে ধাপে এ বরাদ্দ বৃদ্ধি করছে।


মন্ত্রী বলেন, আগামী অর্থবছরে শিক্ষা খাতে জিডিপির ৩ দশমিক ৫ শতাংশ বরাদ্দ নিশ্চিত করার লক্ষ্য রয়েছে। পরবর্তীতে তা ৪ শতাংশ এবং ধাপে ধাপে ৫ শতাংশে উন্নীত করা হবে। শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ বাড়িয়ে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করাই সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। দেশের শিক্ষাব্যবস্থার অতীত পরিস্থিতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, একসময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে রাজনৈতিক প্রভাব এতটাই বেড়েছিল যে একজন বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য নিজেকে উপাচার্যের চেয়ে রাজনৈতিক সংগঠনের নেতা হিসেবে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন। এটি শিক্ষা ও জাতির জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক ছিল। সেই পরিস্থিতি থেকে দেশ এখন বেরিয়ে এসেছে।


বর্তমান সরকারের নেতৃত্বের প্রশংসা করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়ন ও শিক্ষার অগ্রগতির জন্য সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তিনি নিজেও নিয়মিতভাবে দীর্ঘ সময় কাজ করছেন বলে উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন, শিক্ষা ও গবেষণায় আন্তর্জাতিক মান অর্জনের লক্ষ্যে স্বীকৃতি ও মূল্যায়ন ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে। এ উদ্দেশ্যে বিভিন্ন উৎকর্ষ পুরস্কার, গবেষণা সহায়তা এবং মানোন্নয়ন কার্যক্রম সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।