- বল হাতে বাংলাদেশের শুরুটা ছিল দুর্দান্ত। নতুন বলে আগুন ঝরিয়ে পাওয়ার প্লের মধ্যেই ৩ উইকেট তুলে নেন তাসকিন আহমেদ। তবে ব্রেন্ডন টেলর ও ক্রেগ আরভিনের দেড়শ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় জিম্বাবুয়ে। দুই অভিজ্ঞ ব্যাটারের ফিফটি পেরোনো ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৭১ রান সংগ্রহ করেছে দলটি।
- আবুধাবিতে টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় জিম্বাবুয়ে। শুরুতেই তাসকিনের বোলিং তোপে বিপর্যয়ে পড়ে দলটি। ইনিংসের প্রথম ওভারেই উইকেট-মেইডেন করেন এই পেসার। ওভারের শেষ বলে অফ স্টাম্পের সামান্য বাইরে থেকে ইনসুইং করানো বলটি ব্রায়ান বেনেটের ব্যাট-প্যাডের ফাঁক গলে উইকেটকিপারের হাতে যায়। প্রথমে ক্যাচের আবেদন করে সাড়া পেলেও রিভিউতে দেখা যায়, বল ব্যাটে লাগেনি। পরে বল পায়ে লাগায় লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন বেনেট।
- এরপর ইনিংসের পঞ্চম ওভারে বেন কারানকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন তাসকিন। সাজঘরে ফেরার আগে ১১ বলে ৬ রান করেন এই ওপেনার। তিনে নামা তাফাদজওয়া সিগাও বেশি দূর এগোতে পারেননি। ১৫ বলে ১৬ রান করে তাসকিনের তৃতীয় শিকারে পরিণত হন তিনি। তাঁর ইনিংসে ছিল তিনটি বাউন্ডারি।
- দ্রুত ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া জিম্বাবুয়েকে ম্যাচে ফেরান অভিজ্ঞ দুই ব্যাটার ব্রেন্ডন টেলর ও ক্রেগ আরভিন। শুরুতে দেখেশুনে খেলে পরে বাংলাদেশের বোলারদের ওপর চড়াও হন তাঁরা। চতুর্থ উইকেটে দুজনের ১৫০ রানের জুটি জিম্বাবুয়েকে বড় সংগ্রহের পথে নিয়ে যায়।
- ৮১ রান করে টেলরকে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন সাইফ হাসান। এরপর সেঞ্চুরির কাছাকাছি গিয়েও তিন অঙ্ক ছোঁয়া হয়নি আরভিনের। শরিফুল ইসলামের বলে আউট হওয়ার আগে ৯৩ রান করেন তিনি।
- মাঝের ওভারে সিকান্দার রাজা ও ব্র্যাড ইভান্স দ্রুত ফিরে গেলে আবারও চাপে পড়ে জিম্বাবুয়ে। তবে শেষ দিকে ওয়েলিংটন মাসাকাদজা ও নিউম্যান নিয়ামহুরি ব্যাট হাতে দলের সংগ্রহ বাড়ান। দুজনই ২১ রান করে অপরাজিত থাকেন।
- বাংলাদেশের হয়ে তাসকিন আহমেদ ৪৪ রান দিয়ে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নেন। শুরুতে তাঁর দুর্দান্ত বোলিংয়ে জিম্বাবুয়ে চাপে পড়লেও টেলর ও আরভিনের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে শেষ পর্যন্ত ২৭১ রানের লড়াকু সংগ্রহ পায় দলটি।
খেলা