জাতীয়

ধর্মীয় মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ সেনাবাহিনী গঠনের আহ্বান সেনাপ্রধানের

detaillogo
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৮ জুন ২০২৬, ০৯:৩৫
PostImage

সামরিক জীবনে ধর্মীয় মূল্যবোধের চর্চা ও ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার গুরুত্ব অপরিসীম।


চট্টগ্রামের বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি-তে ৯০তম দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের অফিসার ক্যাডেটদের কমিশন প্রদান উপলক্ষে আয়োজিত রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, সামরিক জীবনে ধর্মীয় মূল্যবোধের চর্চা ও ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার গুরুত্ব অপরিসীম। এর মাধ্যমে একজন সেনা সদস্য আদর্শবান, মর্যাদাবান ও উন্নত চরিত্রের অধিকারী হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে সক্ষম হবে।


বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দক্ষ, আধুনিক ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ সেনাবাহিনীর কোনো বিকল্প নেই। আর এ বাহিনীর নেতৃত্বের দায়িত্ব মূলত অফিসারদের ওপরই বর্তায়।


সেনাপ্রধান বলেন, ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি নিবেদিতপ্রাণ, মেধাবী ও চৌকস সেনা অফিসার তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। এই একাডেমি থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত অফিসারদের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশ-বিদেশে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে।


তিনি নবীন অফিসারদের উদ্দেশে বলেন, দীর্ঘ প্রশিক্ষণ শেষে তারা নতুন জীবনে পদার্পণ করছেন এবং শপথ গ্রহণের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পবিত্র দায়িত্ব তাদের কাঁধে অর্পিত হয়েছে।
কুচকাওয়াজ শেষে ৯০তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের ১৮৪ জন অফিসার ক্যাডেট বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন। এর মধ্যে ১৬৬ জন পুরুষ এবং ১৮ জন নারী অফিসার রয়েছেন। এছাড়া ফিলিস্তিন, তানজানিয়া, জাম্বিয়া ও মালদ্বীপের ৭ জন বিদেশি ক্যাডেটও প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেন।
সেরা চৌকস ক্যাডেট হিসেবে ব্যাটালিয়ন সিনিয়র আন্ডার অফিসার খায়রুল ইসলাম মর্যাদাপূর্ণ ‘সোর্ড অব অনার’ এবং ‘সেনাবাহিনী প্রধান স্বর্ণপদক’ অর্জন করেন। অন্যদিকে তানজানিয়ার সার্জেন্ট আবু বকর ‘বিএমএ ট্রফি অব এক্সিলেন্স’ লাভ করেন।


অনুষ্ঠান শেষে সেনাপ্রধান বিএমএ-তে নবপ্রতিষ্ঠিত ‘২য় বাংলাদেশ ব্যাটালিয়ন’ উদ্বোধন করেন। পাশাপাশি নবনির্মিত সিএমএইচ ভাটিয়ারি, বিএমএ পার্ক, সুইমিং পুল ও এমইএস অফিস কমপ্লেক্সেরও উদ্বোধন করেন।

আরও পড়ুন