জাতীয়

মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ ২ লিটার, প্রাইভেটকারে ১০ লিটার তেল

detaillogo
নিজস্ব প্রতিবেদক
০৬ মার্চ ২০২৬, ১৫:০৩
PostImage

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব মোকাবিলায় দেশে জ্বালানি তেল কেনার ক্ষেত্রে নতুন সীমা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।


মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব মোকাবিলায় দেশে জ্বালানি তেল কেনার ক্ষেত্রে নতুন সীমা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। এখন থেকে মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ ২ লিটার এবং প্রাইভেটকারে সর্বোচ্চ ১০ লিটার পেট্রোল বা অকটেন নেওয়া যাবে।


শুক্রবার (৬ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় বিপিসি। এতে বলা হয়, **ইরান–এ **যুক্তরাষ্ট্র ও **ইসরায়েল–এর চলমান যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়ে দেশের বাজারেও। ফলে অনেক ভোক্তা প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল কিনে মজুত করার চেষ্টা করছেন।


বিপিসি জানায়, দেশের ব্যবহৃত জ্বালানি তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। বৈশ্বিক সংকটের কারণে কখনো কখনো আমদানি প্রক্রিয়ায় বিলম্ব হতে পারে। এ অবস্থায় সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং আতঙ্কজনিত অতিরিক্ত চাহিদা নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।


যানবাহনভিত্তিক নতুন সীমা

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী সর্বোচ্চ তেল কেনার পরিমাণ—

মোটরসাইকেল: ২ লিটার

প্রাইভেটকার: ১০ লিটার

জিপ/মাইক্রোবাস: ২০–২৫ লিটার

পিকআপ/লোকাল বাস (ডিজেল): ৭০–৮০ লিটার

দূরপাল্লার ট্রাক/বাস (ডিজেল): ২০০–২২০ লিটার


তেল নেওয়ার সময় অবশ্যই ক্রয় রশিদ নিতে হবে।

পরবর্তীবার তেল নেওয়ার সময় আগের রশিদের মূল কপি জমা দিতে হবে।

ফিলিং স্টেশনগুলো মজুদ ও বিক্রির তথ্য সংশ্লিষ্ট ডিপোতে জানিয়ে তেল তুলবে।

বরাদ্দের বেশি তেল সরবরাহ করা যাবে না।

বিপিসি আরও জানিয়েছে, সরকার নির্ধারিত দামের বেশি নেওয়া আইনত অপরাধ। বর্তমানে দেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর বিষয়ে সরকার এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।

চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ বজায় রাখতে বিদেশ থেকে নিয়মিত তেল আমদানি করা হচ্ছে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই দেশে পর্যাপ্ত বাফার স্টক গড়ে উঠবে বলে আশা করছে সংস্থাটি।


এমআর/