জাতীয়

ঈদে রাজধানীতে ৬ স্তরের নিরাপত্তা: ডিএমপি কমিশনার

detaillogo
নিজস্ব প্রতিবেদক
২৭ মে ২০২৬, ১১:৩৫
PostImage

মাঠে থাকবে ১৫ হাজার পুলিশ সদস্য


পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীতে চার থেকে ছয় স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
জাতীয় জাতীয় ঈদগাহ ময়দান পরিদর্শনে এসে ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ জানান, রাজধানীর প্রায় এক হাজার ঈদের জামাত ঘিরে নিরাপত্তায় থাকবেন প্রায় ১ হাজার ৫০০ পুলিশ সদস্য। আর ঈদের দিন পুরো ঢাকায় দায়িত্ব পালন করবেন প্রায় ১৫ হাজার পুলিশ সদস্য।


তিনি বলেন, ঈদের সময় বিপুলসংখ্যক মানুষ ঢাকা ত্যাগ করায় নগরীর অনেক এলাকা ফাঁকা হয়ে পড়ে। এ কারণে প্রযুক্তিনির্ভর ও সমন্বিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
ডিএমপি কমিশনার জানান, জাতীয় ঈদগাহ ও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদসহ গুরুত্বপূর্ণ ঈদ জামাতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও বিদেশি কূটনীতিকরা অংশ নেবেন। ঈদগাহে প্রবেশের জন্য পাঁচটি গেট রাখা হয়েছে এবং চার থেকে ছয় স্তরের নিরাপত্তাবলয় গড়ে তোলা হয়েছে।



নিরাপত্তার অংশ হিসেবে পুরো ঈদগাহ এলাকা সিসিটিভির আওতায় আনা হয়েছে। পাশাপাশি ড্রোনের মাধ্যমে আকাশপথ থেকেও নজরদারি করা হবে। প্রবেশপথে থাকবে আর্চওয়ে, হ্যান্ড মেটাল ডিটেক্টর ও কড়া তল্লাশি ব্যবস্থা। এছাড়া ওয়াচ টাওয়ার, ব্যারিকেড ও পিকেটিংয়ের ব্যবস্থাও থাকবে।
সুইপিং টিম, সিটিটিসি ডগ স্কোয়াড, সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সদস্য, সোয়াট, বোম ডিসপোজাল ইউনিট ও কাউন্টার টেররিজম ইউনিট স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।


নারী মুসল্লিদের জন্য আলাদা প্রবেশপথ ও পৃথক নামাজের স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে।
ডিএমপি জানিয়েছে, ঈদের দিন সকাল ৬টা থেকে নামাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় ঈদগাহ ও আশপাশ এলাকায় বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থা কার্যকর থাকবে। মুসল্লিদের নির্ধারিত স্থানে গাড়ি পার্ক করে হেঁটে ঈদগাহে প্রবেশের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এ ছাড়া বাসাবাড়ি, ব্যাংক, এটিএম বুথ, শপিং মল ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায়ও বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও উসকানিমূলক প্রচারণা ঠেকাতে সাইবার ইউনিট সার্বক্ষণিক নজরদারি করছে বলে জানিয়েছে ডিএমপি।