জাতীয়

স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্ধারণের দায়িত্ব পেলেন তারেক রহমান

detaillogo
নিজস্ব প্রতিবেদক
১১ মার্চ ২০২৬, ১৫:৩৭
PostImage

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানকে।


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান–কে।


বুধবার (১১ মার্চ) জাতীয় সংসদ ভবন–এর এলডি হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি।

এর আগে সংসদের সরকারি দলের সভাকক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–এর সংসদীয় দলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সংসদ নেতা তারেক রহমান।

কী বললেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বলেন,স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের দায়িত্ব সংসদ নেতাকে দেওয়া হয়েছে

তিনি সিদ্ধান্ত দেবেন এবং আগামীকাল তা জানা যাবে, সংসদ উপনেতার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী।


তিনি আরও জানান, সংসদে এখনও স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার না থাকায় প্রথমে খালি চেয়ার দিয়ে অধিবেশন শুরু হবে। এরপর সংসদ নেতা জ্যেষ্ঠ কোনো নেতাকে অস্থায়ীভাবে সভাপতিত্ব করার প্রস্তাব দেবেন। পরে সেই সভাপতির অধীনে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন করা হবে।

জামায়াতকে ডেপুটি স্পিকার হওয়ার প্রস্তাব-এর আগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–কে ডেপুটি স্পিকার পদ নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছিল বিএনপি।

চিফ হুইপ বলেন, প্রধানমন্ত্রী উদারতা দেখিয়ে এ প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে এখন পর্যন্ত দলটির কাছ থেকে চূড়ান্ত ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি।


১৩৩টি অধ্যাদেশ সংসদে উঠবে

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ আগামীকাল সংসদে উত্থাপন করবেন আইনমন্ত্রী।

এসব যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সব দলের সদস্যদের নিয়ে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হবে। কমিটি সিদ্ধান্ত নেবে—

এছাড়া রাষ্ট্রপতির ভাষণ শেষে অধিবেশন মুলতবি করা হবে। ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের পর পাঁচ সদস্যের সভাপতিমণ্ডলী মনোনয়ন দেওয়া হবে এবং শোকপ্রস্তাব উত্থাপন করা হবে।

শোকপ্রস্তাবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী **খালেদা জিয়া**সহ দেশি-বিদেশি বরেণ্য ব্যক্তিদের স্মরণ করা হবে।


সংসদ নিয়ে সরকারের লক্ষ্য

চিফ হুইপ বলেন, নতুন সংসদের লক্ষ্য হবে—

জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা

গণতন্ত্রকে সুসংহত করা

গঠনমূলক আলোচনা ও সুস্থ বিতর্কের পরিবেশ তৈরি করা

তিনি আশা প্রকাশ করেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সংলাপের মাধ্যমে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর সমাধান করা সম্ভব হবে এবং একটি কার্যকর ও প্রাণবন্ত সংসদ পরিচালনা করা যাবে।


এমআর/