জাতীয়

১৫ বছরে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার: প্রধানমন্ত্রী

detaillogo
ডেস্ক নিউজ
০১ এপ্রিল ২০২৬, ১৩:২৮
PostImage

জাতীয় সংসদে দেওয়া এক লিখিত উত্তরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন,


জাতীয় সংসদে দেওয়া এক লিখিত উত্তরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, বিগত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বাংলাদেশ থেকে আনুমানিক ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিদেশে পাচার হয়েছে।


বুধবার (১ এপ্রিল) সংসদে কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালামের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের গঠিত শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির তথ্যমতে, ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ অবৈধভাবে দেশ থেকে বাইরে চলে গেছে। বছরে গড়ে প্রায় ১৬ বিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১ দশমিক ৮ লাখ কোটি টাকা পাচার হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।


তিনি বলেন, পাচার হওয়া অর্থ একাধিক দেশে স্থানান্তরিত হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব অর্থ উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে তথ্য বিনিময়, সম্পদ শনাক্তকরণ এবং পারস্পরিক আইনগত সহায়তা জোরদার করা হচ্ছে।


প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, পাচারের গন্তব্য হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, থাইল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া এবং হংকং-চীনসহ মোট ১০টি দেশ চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে মালয়েশিয়া, হংকং এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে পারস্পরিক আইনগত সহায়তা চুক্তি (এমএলএটি) স্বাক্ষরের বিষয়ে সম্মতি পাওয়া গেছে। বাকি দেশগুলোর সঙ্গে চুক্তির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।


পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের নেতৃত্বে একটি আন্তঃসংস্থা টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। এ পর্যন্ত ১১টি গুরুত্বপূর্ণ মামলায় তদন্ত ও আইনি কার্যক্রম চলছে, যেখানে দুর্নীতি দমন কমিশন, পুলিশের সিআইডি এবং এনবিআরের সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলো যৌথভাবে কাজ করছে।


প্রধানমন্ত্রী জানান, আদালতের নির্দেশে দেশে প্রায় ৫৭ হাজার কোটি টাকার এবং বিদেশে প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে দেশে-বিদেশে প্রায় ৭০ হাজার ৪৪৬ কোটি টাকার সম্পদ সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ করা হয়েছে।


এমআর//

আরও পড়ুন