জাতীয়

সরকারি অফিসে ৯টা-৯:৪০ পর্যন্ত উপস্থিতি বাধ্যতামূলক: নতুন নির্দেশনা জারি

detaillogo
নিজস্ব প্রতিবেদক
০৪ মার্চ ২০২৬, ০৪:৪৯
PostImage

সেবাগ্রহণকারী নাগরিকদের সুবিধা নিশ্চিতকরণ এবং প্রশাসনিক গতিশীলতা বাড়াতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।


সেবাগ্রহণকারী নাগরিকদের সুবিধা নিশ্চিতকরণ এবং প্রশাসনিক গতিশীলতা বাড়াতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আবশ্যিকভাবে নিজ অফিস কক্ষে অবস্থান করতে হবে।

গত ২ মার্চ মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে এই নির্দেশ দেওয়া হয়।


পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, অনেক ক্ষেত্রে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সকালে অফিসে আসার পথে বিভিন্ন দাপ্তরিক বা ব্যক্তিগত কর্মসূচিতে (সেমিনার, কর্মশালা, ব্যাংক বা হাসপাতালে গমন) ব্যস্ত হয়ে পড়েন। এর ফলে নির্ধারিত সময়ে তাদের অফিসে পাওয়া যায় না, যা নাগরিক সেবা ও সরকারের ভাবমূর্তির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এই আন্তঃদপ্তর সমন্বয়হীনতা দূর করতেই নতুন সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।


নির্দেশনায় কিছু বিশেষ ক্ষেত্রকে এই বাধ্যবাধকতার বাইরে রাখা হয়েছে:

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: প্রশাসনিক দায়িত্বে নেই এমন শিক্ষক ও অনুষদ সদস্য।

জরুরি সেবা: হাসপাতাল, জেলখানা, সংবাদ মাধ্যম ও নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের রোস্টার ডিউটি।

মাঠ পর্যায়: আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য যারা সরাসরি ফিল্ডে কর্মরত।

বিশেষ পরিস্থিতি: ভিভিআইপি প্রোটোকল, আকস্মিক দুর্ঘটনা মোকাবিলা বা কূটনৈতিক মিশনের গুরুত্বপূর্ণ সভা।


পরিপত্রে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া কেউ কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবেন না। এটি ‘সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালা, ২০১৯’ এবং ‘সচিবালয় নির্দেশমালা, ২০২৪’-এর অংশ হিসেবে কার্যকর হবে।


উল্লেখ্য, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠিত হওয়ার পর থেকেই প্রশাসনের কাজের গতি ফেরাতে নানামুখী উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নিজে প্রতিদিন সকাল ৯টার মধ্যে সচিবালয়ে উপস্থিত হয়ে দাপ্তরিক কাজ শুরু করছেন, যা পুরো প্রশাসনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

এমআর

আরও পড়ুন