ফজলুর রহমান বলেছেন, মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কেউ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর সঙ্গে যুক্ত হতে পারে না—এমন মন্তব্যে জাতীয় সংসদে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। ফজলুর রহমানের বক্তব্যের পরপরই সংসদে বিরোধীদলীয় সদস্যরা হট্টগোল শুরু করেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে স্পিকার সদস্যদের শান্ত করেন। হট্টগোলের মধ্যেই ফজলুর রহমান বলেন, “আমি আবারও বলছি, মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কেউ জামায়াত করতে পারে না। শহীদ পরিবারের কেউ জামায়াত করতে পারে না। যদি কেউ করে থাকে তাহলে তিনি দ্বিগুণ অপরাধ করছেন।”
এ সময় তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে এক মাসের গণঅভ্যুত্থানের তুলনা করা হলে মুক্তিযুদ্ধকে ছোট করা হয়। এমন পরিস্থিতিতে তিনি হতাশা প্রকাশ করে বলেন, “আমি মনে মনে ভাবি, হয়তোবা আমি মরে গেলেই ভালো হতো।” এছাড়া তিনি বিরোধী দলীয় নেতার সমালোচনা করে বলেন, জামায়াতের আমির তার চেয়ে বয়সে ছোট এবং নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সন্তান হিসেবে দাবি করেন—যা নিয়েও সংসদে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়।
পরবর্তীতে বিরোধী দলীয় নেতা ফ্লোর নিয়ে ফজলুর রহমানের বক্তব্যের জবাব দেন এবং তার বক্তব্যের অসংসদীয় অংশ এক্সপাঞ্জ করার জন্য স্পিকারের কাছে অনুরোধ জানান।