ভারতের তরুণদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক হতাশার প্রতীক হিসেবে একটি ব্যঙ্গাত্মক সংগঠন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সংগঠনটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করে এবং দাবি করা হয়, তাদের অনুসারীর সংখ্যা দেশটির শাসক দলের চেয়েও বেশি হয়ে যায়।
এর পরপরই ওই সংগঠনের অনলাইন অ্যাকাউন্টটি সরকারিভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেছে সংগঠনটি। পরে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক জানান, তাদের একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট ভারতে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
তিনি একটি বার্তায় বলেন, তাদের কোনো ভুল ছিল না, তারা কেবল শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেছিলেন। কারণ একটি শিক্ষার্থী আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছিল এবং তারা শুধু জবাবদিহিতা চেয়েছিল।
সংগঠনটি দাবি করে, প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভর্তি পরীক্ষা বাতিল হওয়ার পর থেকেই তারা শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করে আসছিল। এই ঘটনার পর দেশজুড়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক হতাশা তৈরি হয় এবং কয়েকজন শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার ঘটনাও ঘটেছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়।
সংগঠনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট হ্যাক করার চেষ্টা হয়েছিল। এ বিষয়ে ভারতে প্রচলিত আইন অনুযায়ী, জাতীয় নিরাপত্তা বা জনশৃঙ্খলার কারণে সরকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো কনটেন্ট বা অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার নির্দেশ দিতে পারে।