জাতীয়

শোককে শক্তিতে পরিণত করে আপনারা যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছেন: ডা. জুবাইদা রহমান

detaillogo
নিজস্ব প্রতিবেদক
২১ জুলাই ২০২৬, ১৪:৩২
PostImage

আহত ও স্বজনহারাদের সাহসিকতার প্রশংসা করেছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান।


মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর পূর্তিতে নিহত শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে আহত ও স্বজনহারাদের সাহসিকতার প্রশংসা করেছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান। মঙ্গলবার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি আয়োজিত ‘মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি শ্রদ্ধাঞ্জলি ও স্মরণসভা’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ভয়াবহ এই দুর্ঘটনা পুরো জাতিকে শোকাহত করেছে। তবে শোককে শক্তিতে পরিণত করে সামনে এগিয়ে যেতে হবে এবং আহতদের সাহস ও দৃঢ়তা থেকে নতুন প্রজন্মের শিক্ষা নেওয়া উচিত।


তিনি বলেন, “আজ এমন একটি দিন, যেদিন দেশ ও জাতি গভীরভাবে শোকাহত। শোককে শক্তিতে পরিণত করে আপনারা যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছেন, জাতি তা কোনোদিন ভুলবে না।” অনুষ্ঠানে ডা. জুবাইদা রহমান মাইলস্টোন ট্র্যাজেডিতে নিহত শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারীদের নাম শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং তাদের আত্মত্যাগের প্রতি গভীর সম্মান জানান। তিনি বলেন, ভয়াবহ সেই অভিজ্ঞতার পরও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো যেভাবে সাহস ও দৃঢ়তার সঙ্গে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার চেষ্টা করছে, তা সমগ্র জাতির জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। সংকটের সময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং ভয়কে জয় করার যে দৃষ্টান্ত তারা স্থাপন করেছেন, তার জন্য দেশ তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকবে।


এ সময় দুর্ঘটনার পর চিকিৎসাসেবা ও সহায়তা কার্যক্রমে যুক্ত বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠান, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব), জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন এবং বার্ন ইনস্টিটিউটের চিকিৎসকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। স্মরণসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, নিহতদের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে অনেক পরিবারের বক্তব্য আবেগাপ্লুত করেছে। তিনি বিশেষভাবে শিক্ষিকা মাহরীন চৌধুরীর আত্মত্যাগের কথা উল্লেখ করে বলেন, তিনি নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রাণ বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলেন।


স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, আহত শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ফলোআপ চিকিৎসা চলছে। প্রয়োজন হলে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য সরকার সব ধরনের সহায়তা দেবে। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শুরু থেকেই আহতদের খোঁজখবর রাখছেন এবং তাদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে আসছেন। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত, স্বাস্থ্যসচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, বার্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, চিকিৎসক, আহত শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং নিহতদের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।