জাতীয়

রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুলের মনোনয়ন প্রায় চূড়ান্ত: বিএনপি সূত্র

detaillogo
নিজস্ব প্রতিবেদক
০৯ আগস্ট ২০২৬, ১৪:১৮
PostImage

দলের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অবগত এক সিনিয়র বিএনপি নেতা ও মন্ত্রিসভার সদস্যের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়,


বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হতে যাচ্ছেন—এমন দাবি করেছে সংবাদমাধ্যম ‘ডেইলি ওয়াদা’। সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার মনোনয়ন প্রায় চূড়ান্ত করেছেন।


দলের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অবগত এক সিনিয়র বিএনপি নেতা ও মন্ত্রিসভার সদস্যের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, দলীয় চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে মির্জা ফখরুলের নাম প্রায় নিশ্চিত করা হয়েছে। দীর্ঘদিনের বিএনপি মহাসচিবকেই দল রাষ্ট্রপতি পদে দেখতে চায় বলেও ওই নেতা জানান।


তবে বিএনপির কয়েকজন শীর্ষ নেতার সঙ্গে কথা বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি প্রার্থী চূড়ান্ত করার পূর্ণ এখতিয়ার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে থাকলেও এ বিষয়ে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ এক নেতা অবশ্য মির্জা ফখরুলের নাম চূড়ান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে।


এদিকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতিও শুরু করেছে বিএনপি। রোববার সকালে নির্বাচন কমিশন থেকে দলের পক্ষ থেকে দুটি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করা হয়েছে। আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের রিটার্নিং কর্মকর্তার অফিস থেকে ফরম সংগ্রহ করেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি এবং সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।


এর আগে দলের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী চূড়ান্ত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল তারেক রহমানকে। সংসদে বিএনপির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় সংসদ সদস্যদের সমর্থনে দলীয় মনোনীত প্রার্থীর দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হওয়া প্রায় নিশ্চিত, যদি না সংসদীয় সমীকরণে কোনো নাটকীয় পরিবর্তন আসে।


আগামী ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দিন নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন। গত ২৪ জুলাই মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন চুপ্পু পদত্যাগ করার পর রাষ্ট্রপতির পদটি শূন্য হয়। এরপর থেকেই স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সংবিধান ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।