খেলা

কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি ফ্রান্স-মরক্কো

detaillogo
ডেস্ক নিউজ
০৯ জুলাই ২০২৬, ১২:১৯
PostImage

২০২২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের পুনরাবৃত্তি ঘটছে ২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে।


২০২২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের পুনরাবৃত্তি ঘটছে ২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে। আফ্রিকার বর্তমান চ্যাম্পিয়ন মরক্কোর মুখোমুখি হচ্ছে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স। শেষ চারের লড়াইয়ের আগেই দুই শক্তিশালী দলের এই দ্বৈরথ ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ তুঙ্গে।


চলতি আসরে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে ফ্রান্স। পাঁচ ম্যাচে পাঁচ জয় তুলে নিয়ে তারা করেছে ১৪ গোল, বিপরীতে হজম করেছে মাত্র ২টি। দলের সবচেয়ে বড় ভরসা কিলিয়ান এমবাপে, যার ঝুলিতে ইতোমধ্যে রয়েছে ৭ গোল। তার সঙ্গে উসমান দেম্বেলে, মাইকেল অলিসে ও ব্রাডলি বারকোলার আক্রমণভাগ প্রতিপক্ষের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠেছে।

অন্যদিকে, মরক্কো আর শুধু চমক দেখানো দল নয়, তারা এখন শিরোপার দাবিদার হিসেবেই নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে। ২০২২ বিশ্বকাপে প্রথম আফ্রিকান ও আরব দেশ হিসেবে সেমিফাইনালে ওঠার পর এবার টানা দ্বিতীয়বার শেষ চারে জায়গা করে নেওয়ার লক্ষ্য তাদের।


২০২৫ আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের চ্যাম্পিয়ন মরক্কো বর্তমানে ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ের ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে। দলের কোচ মোহাম্মদ ওয়াহবি বলেন, “আমরা এখন শুধু বিস্ময়ের দল নই, এটি আমাদের গর্ব। আমি মনে করি, এটি কেবল শুরু। আশা করি অনেক বছর ধরে আমরা এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারব।”


তবে গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচের আগে দুঃসংবাদ পেয়েছে মরক্কো। দলের অন্যতম ভরসা ইসমাইল সাইবারি হ্যামস্ট্রিং চোটের কারণে খেলতে পারবেন না। চলতি আসরে তিন গোল করে তিনি দলের সর্বোচ্চ গোলদাতা। ২০২২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে মরক্কোকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছিল ফ্রান্স। এবার সেই হারের প্রতিশোধ নিতে চায় আফ্রিকার দলটি। যদিও ফ্রান্সের প্রধান কোচ দিদিয়ের দেশম প্রতিশোধের প্রসঙ্গ উড়িয়ে দিয়ে বলেন,


“ফুটবলে প্রতিশোধ বলে কিছু নেই। ম্যাচের দিন যারা ভালো খেলবে, তারাই জিতবে। মরক্কো দুর্দান্ত ফুটবল খেলছে। তাদের হারাতে হলে আমাদেরও সেরা খেলাটা খেলতে হবে।” সেমিফাইনালের সেই ম্যাচের পর দুই দলের আর কোনো মুখোমুখি লড়াই হয়নি। ইতিহাসে এখন পর্যন্ত ছয়বার একে অপরের বিপক্ষে খেলেছে ফ্রান্স ও মরক্কো। এর মধ্যে চারটিতে জয় পেয়েছে ফ্রান্স, আর বাকি দুটি ম্যাচ ড্র হয়েছে।

এবারের কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কো কি ইতিহাস বদলাতে পারবে, নাকি ফ্রান্সই আবারও নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখবে—সেই উত্তর মিলবে মাঠের লড়াইয়ে।