উন্নত আর্টিলারি ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার সফল পরীক্ষা চালিয়েছে উত্তর কোরিয়া। পরীক্ষাটি তদারকি করেন দেশটির নেতা কিম জং উন। এ সময় তিনি দেশের সামরিক সক্ষমতা আরও জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সির (কেসিএনএ) বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে আনাদোলু এজেন্সি। বৃহস্পতিবার পরিচালিত এই পরীক্ষা উত্তর কোরিয়ার পাঁচ বছর মেয়াদি জাতীয় প্রতিরক্ষা আধুনিকায়ন পরিকল্পনার অংশ। পরীক্ষায় উন্নত ২৪০ মিলিমিটার ২৪-টিউব মাল্টিপল রকেট লঞ্চার, বিশেষ ওয়ারহেডযুক্ত ট্যাকটিক্যাল ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ১৫৫ মিলিমিটার স্বচালিত হাউইটজার গোলার কার্যকারিতা মূল্যায়ন করা হয়।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের দাবি, উন্নত রকেট লঞ্চারটির পাল্লা এখন ৯০ কিলোমিটার। এতে স্বয়ংক্রিয় ফায়ার কন্ট্রোল ব্যবস্থা এবং অত্যাধুনিক নির্ভুল লক্ষ্যভেদ প্রযুক্তি সংযোজন করা হয়েছে। এছাড়া নতুন ট্যাকটিক্যাল ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের বিশেষ ওয়ারহেড বিমানঘাঁটি, সমুদ্রবন্দর, বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত স্থাপনায় আঘাত হানতে সক্ষম বলে দাবি করেছে পিয়ংইয়ং। নতুন ১৫৫ মিলিমিটার হাউইটজার গোলার কার্যকর পাল্লা ৬৫ কিলোমিটার বলেও জানানো হয়েছে।
পরীক্ষা শেষে কিম জং উন বলেন, সরকারের সামরিক আধুনিকায়ন নীতির আওতায় অর্জিত প্রযুক্তিগত অগ্রগতিরই প্রতিফলন এই সফল পরীক্ষা। বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা সক্ষমতা গড়ে তোলা অপরিহার্য বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
কিম জং উন আরও বলেন, উত্তর কোরিয়া শুধু প্রতিরক্ষামূলক সক্ষমতা বাড়াচ্ছে না, সম্ভাব্য প্রতিপক্ষকে নিরুৎসাহিত করতে আরও শক্তিশালী ও ধ্বংসাত্মক আক্রমণাত্মক সামরিক সক্ষমতাও গড়ে তুলছে। তাঁর দাবি, দেশটির দূরপাল্লার হামলা পরিচালনার সক্ষমতা খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আরও উন্নত পর্যায়ে পৌঁছেছে।