আন্তর্জাতিক

নেতানিয়াহুর ওপর নিষেধাজ্ঞার দাবি ব্রিটিশ ৭১ আইনপ্রণেতার

detaillogo
ডেস্ক নিউজ
০৬ জুলাই ২০২৬, ১৫:৫২
PostImage

ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের ওপর পদ্ধতিগত নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী


ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের ওপর পদ্ধতিগত নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং বিচারমন্ত্রী ইয়ারিভ লেভিনের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের দাবি জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের ৭১ জন সংসদ সদস্য ও লর্ডস সভার সদস্য। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম স্কাই নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের এসব আইনপ্রণেতা গত সপ্তাহে পররাষ্ট্রসচিবের কাছে পাঠানো এক যৌথ চিঠিতে এ আহ্বান জানান।

ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির এমপি নিল ডানকান-জর্ডানের নেতৃত্বে পাঠানো চিঠিতে লেবার পার্টির ৩০ জন এমপি ও সাতজন লর্ডস সদস্য ছাড়াও গ্রিন পার্টি, লিবারেল ডেমোক্র্যাটস, স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টি এবং কনজারভেটিভ পার্টির সদস্যরা স্বাক্ষর করেন। চিঠিতে বলা হয়, ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের ওপর যে পদ্ধতিগত ও সুপ্রমাণিত নির্যাতন চালানো হচ্ছে, তার দায় সরাসরি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং ইসরাইল সরকারের ওপর বর্তায়।

আইনপ্রণেতারা এর আগে উগ্র ডানপন্থী দুই ইসরাইলি মন্ত্রী ইতামার বেন গভির ও বেজালেল স্মোট্রিচের ওপর যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞাকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ওই পদক্ষেপ সরকারের আচরণে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনতে পারেনি। বরং এরপর থেকে ফিলিস্তিনি বন্দিদের ওপর নির্যাতনের মাত্রা আরও বেড়েছে বলে তারা দাবি করেন। চিঠিতে জাতিসংঘের একাধিক প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ফিলিস্তিনি নারী, পুরুষ ও শিশুদের ওপর নির্যাতনকে ইসরাইলের দমন-পীড়নের একটি নিয়মিত অংশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এছাড়া জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক ফ্রান্সেসকা আলবানিজ মার্চ মাসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দাবি করেন, ইসরাইলি কারাগারগুলো পরিকল্পিত নিষ্ঠুরতার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে, যেখানে ফিলিস্তিনি বন্দিদের ওপর যৌন নির্যাতনসহ বিভিন্ন ধরনের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে।
যৌথ চিঠিতে আরও বলা হয়, ইসরাইলি সেনাদের বিরুদ্ধে এক ফিলিস্তিনি বন্দিকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তকে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু প্রকাশ্যে প্রশংসা করেছিলেন। আইনপ্রণেতাদের মতে, এ ধরনের অবস্থান এসব অপরাধের প্রতি সরকারের নীরব সমর্থনের ইঙ্গিত বহন করে।