বিনোদন

‘আমি মারা গেছি শুনে চিকন আলী কেঁদেছিল, তাই ওকে ভোট দেব’—হারুন কিসিঞ্জার

detaillogo
ডেস্ক নিউজ
২৮ জুন ২০২৬, ১৪:৪৭
PostImage

হারুন কিসিঞ্জার বলেন, সাধারণ সময়ে এফডিসিতে মানুষের উপস্থিতি খুবই কম থাকলেও নির্বাচন এলেই পুরো পরিবেশ বদলে যায়।


বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনকে ঘিরে আবারও সরগরম হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি)। নির্বাচন উপলক্ষে দীর্ঘদিন পর এক ছাদের নিচে জড়ো হয়েছেন প্রবীণ ও নবীন শিল্পীরা। নির্বাচনের এই উৎসবমুখর পরিবেশ নিয়ে কৌতুক অভিনেতা হারুন কিসিঞ্জার বলেন, সাধারণ সময়ে এফডিসিতে মানুষের উপস্থিতি খুবই কম থাকলেও নির্বাচন এলেই পুরো পরিবেশ বদলে যায়।


তিনি বলেন, ‘এফডিসিতে ভোট চলে এসেছে, তাই অনেক মানুষ দেখছি। কিন্তু সাধারণ সময় এফডিসিতে এসে দেখি মানুষ নেই, দু-একটা কুকুর ঘুরে। সত্যি কথা বলছি।’ বর্তমানে নাটক ও বিজ্ঞাপনে বেশি কাজ করছেন জানিয়ে হারুন কিসিঞ্জার বলেন, এফডিসিতে এখন খুব একটা আসা হয় না। তবে নির্বাচন এলেই পুরোনো সহকর্মীদের সঙ্গে দেখা হয়, নতুনদের সঙ্গে পরিচয় হয়। সবাইকে একসঙ্গে দেখতে ভালো লাগে।


কাকে ভোট দেবেন—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ভোটের আগের রাতে বসে চিন্তা করব, এত ভদ্র মানুষের ভিড়ে কাকে ভোট দেওয়া যায়। দুই প্যানেলের সবাই ভালো মানুষ। তবে একটা ভোট আমি এখনই নিশ্চিত করে বলতে পারি। আমার শিষ্য চিকন আলীকে আমি অবশ্যই ভোট দেব।’ চিকন আলীকে ভোট দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘আমি কোনোদিন নির্বাচন করিনি। আগে থেকেই বলেছি, চিকন আলী নির্বাচন করছে, তাকে একটা ভোট দেব। আমি মারা গেছি—এমন গুজব ছড়ানোর পর সে অনেক কান্নাকাটি করেছিল। তাই ওকে একটা ভোট তো দিতেই হবে।’


নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি নিয়ে শিল্পীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, অতীতে অনেকেই শিল্পীদের জন্য ফ্ল্যাট, আবাসনসহ নানা প্রতিশ্রুতি দিলেও সেগুলোর বাস্তবায়ন হয়নি। তাই এবার যারা নির্বাচন করছেন, তারা যেন শুধুমাত্র বাস্তবায়নযোগ্য প্রতিশ্রুতিই দেন। হারুন কিসিঞ্জার বলেন, ‘শিল্পীদের সঙ্গে মিথ্যা বলার দরকার নেই। যেটা পারবেন, শুধু সেটাই বলুন। পরে কিন্তু ধরা খেতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, আগের শিল্পী সমিতির নির্বাচনগুলো আরও বেশি উৎসবমুখর ছিল। এমন পরিবেশ তৈরি হতো, যা অনেক সময় জাতীয় নির্বাচনের আমেজকেও ছাড়িয়ে যেত। এবার সেই জৌলুস কিছুটা কম থাকলেও শিল্পীদের মিলনমেলায় অংশ নিতে পেরে তিনি আনন্দিত।