আন্তর্জাতিক

ঈদের দিনে ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের অর্ধশতাধিক স্থাপনায় ইরানের হামলা

detaillogo
নিজস্ব প্রতিবেদক
২১ মার্চ ২০২৬, ০৬:৪৫
PostImage

যুদ্ধপীড়িত ইরান-এ শনিবার (২১ মার্চ) একই সঙ্গে পবিত্র ঈদুল ফিতর ও নওরোজ উদযাপনের মধ্যেই নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি করেছে দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।


যুদ্ধপীড়িত ইরান-এ শনিবার (২১ মার্চ) একই সঙ্গে পবিত্র ঈদুল ফিতর ও নওরোজ উদযাপনের মধ্যেই নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি করেছে দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।

এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, চলমান প্রতিশোধমূলক অভিযান ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪’-এর ৭০তম ধাপে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল-সম্পৃক্ত স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। এতে অঞ্চলজুড়ে ৫৫টিরও বেশি স্থাপনা টার্গেট করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

আইআরজিসি জানায়, সর্বশেষ হামলায় বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তু এলাকায় বিস্ফোরণ, আগুনের শিখা ও ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা গেছে। তারা ‘কিয়াম’ ও ‘এমাদ’ ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি ড্রোন ব্যবহার করে হামলা চালানোর কথা উল্লেখ করে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এ হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত পাঁচটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সৌদি আরবের আল-খারজ, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-ধাফরা, কুয়েতের আলী আল-সালেম, ইরাকি কুর্দিস্তানের ইরবিল এবং বাহরাইন-এ অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর।

এছাড়া, আইআরজিসি দাবি করেছে যে, তাদের অ্যারোস্পেস ফোর্সের অভিযান তেল আবিব ও হাইফাসহ ইসরাইলের বিভিন্ন কৌশলগত এলাকায় কেন্দ্রীভূত ছিল।

বাহিনীটি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, ভবিষ্যতে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে যেকোনো আগ্রাসনের জবাবে আরও তীব্র হামলা চালানো হবে। তারা জানায়, ‘ক্রমিক ক্ষয়সাধন’ কৌশলের অংশ হিসেবে এ ধরনের প্রতিশোধমূলক অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য, গত মাসে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পরপরই ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪’ শুরু হয় বলে দাবি করেছে আইআরজিসি। এরপর থেকে কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, সৌদি আরব ও জর্ডানসহ বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে ধারাবাহিক পাল্টা হামলার কথা জানিয়ে আসছে তারা।


এমআর//