আড়াইহাজারের সরকারী সফর আলী কলেজে এক শিবির কর্মীর ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ এবং দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতারা।
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ জেলা আমীর মুহাম্মদ মমিনুল হক সরকার এবং জেলা সেক্রেটারি মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান। বিবৃতিতে বলা হয়, আড়াইহাজার সফর উদ্দিন ভূইয়া ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র ও শিবির কর্মী তারিকুল ইসলাম কলেজে গেলে ছাত্রদলের কিছু উচ্ছৃঙ্খল কর্মী তাকে মারধর করে গুরুতর আহত ও রক্তাক্ত করে।
নেতৃবৃন্দ আরও অভিযোগ করেন, আহত তারিকুল ইসলাম চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে গেলে সেখানেও ছাত্রদলের কর্মীরা তাকে বাধা দেয়। এমনকি হাসপাতালের রেজিস্টারে তার নাম লেখাতেও বাধা প্রদান করা হয়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক রেজিস্টারে নাম অন্তর্ভুক্ত না করেই তাকে চিকিৎসা দিয়ে ফেরত পাঠান। বিবৃতিতে বলা হয়, একজন শিক্ষার্থীকে সন্ত্রাসী কায়দায় আহত করা এবং চিকিৎসা গ্রহণে বাধা দেওয়া—এই পুরো ঘটনা “ফ্যাসিবাদী আমলের” চিত্র তুলে ধরে।
তারা আরও বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের দুঃশাসনের পর জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে দেশে যে নতুন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, সেখানে গণতান্ত্রিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠার কথা থাকলেও দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমন সহিংসতা সেই প্রত্যাশার পরিপন্থী। জামায়াত নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রদলের কর্মকাণ্ড শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করছে এবং তারা পুরোনো ধাঁচের দমন-পীড়নের রাজনীতি পুনঃপ্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে।
বিবৃতিতে অবিলম্বে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাসী কার্যক্রম বন্ধে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়।